HSC RESULT ARCHIVE · 2011
HSC Result 2011
২০১১ সালের HSC ও সমমান পরীক্ষার জাতীয় ফলাফল তথ্য, বোর্ডভিত্তিক পরিসংখ্যান ও বিস্তারিত বিশ্লেষণ।
প্রথমবারের মতো সম্মিলিত পাসের হার ৭৫%-এর উপরে ওঠে, যা ২০১০-এর দশকের শুরুর দিকের ধারাবাহিক উন্নতির ধারা বজায় রাখে।
HSC Result 2011 সারসংক্ষেপ
২০১১ সালের HSC ও সমমান পরীক্ষায় জাতীয় পাসের হার ছিল ৭৫.০৮%, যেখানে ৩৯,৭৬৯ জন শিক্ষার্থী GPA-৫ অর্জন করে।
- মোট ৭৬৪,৮২৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৫৭৪,২৬১ জন পাস করেছে।
- ফলাফল প্রকাশিত হয় ২৭ জুলাই ২০১১ তারিখে।
- পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় ১০টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে।
- সংগৃহীত তথ্য অনুযায়ী সবচেয়ে বেশি GPA-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থী ছিল ঢাকা বোর্ডে, ১৭,৮১৮ জন।
২০১১-এর পরীক্ষার সময়কাল ও প্রেক্ষাপট
পরীক্ষার সময়কাল
৫ এপ্রিল – ৩১ মে ২০১১ (ব্যবহারিক ২–১৬ জুন)
বছরের প্রেক্ষাপট
প্রথমবারের মতো সম্মিলিত পাসের হার ৭৫%-এর উপরে ওঠে, যা ২০১০-এর দশকের শুরুর দিকের ধারাবাহিক উন্নতির ধারা বজায় রাখে।
বোর্ডভিত্তিক ফলাফল পরিসংখ্যান — ২০১১
নিচের তথ্য পাওয়া গেলে পৃথক বোর্ড Result Analytics রিপোর্ট থেকে নেওয়া, আর যেখানে কোনো বোর্ডের নিজস্ব analytics রিপোর্ট পাওয়া যায়নি সেখানে সমসাময়িক নিউজ কভারেজ থেকে পরিপূরক তথ্য নেওয়া হয়েছে। নিচের বোর্ড(গুলো) এই বছরের টেবিলে নেই কারণ তুলনীয় তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি: ময়মনসিংহ, কারিগরি।
| বোর্ড | পরীক্ষার্থী | পাস | অকৃতকার্য | পাসের হার | GPA-৫ | বোর্ড পেজ |
|---|---|---|---|---|---|---|
| ঢাকা | ২০৮,১১২ | ১৬০,০৪৭ | ৪৮,০৬৫ | ৭৬.৯০% | ১৭,৮১৮ | বিস্তারিত → |
| রাজশাহী | ৭৭,৭২৩ | ৬১,৩৮৬ | ১৬,৩৩৭ | ৭৮.৯৮% | ৫,৫৯৫ | বিস্তারিত → |
| চট্টগ্রাম | ৪৭,৭৬৭ | ৩৩,৯৪০ | ১৩,৮২৭ | ৭১.০৫% | ১,৮০২ | বিস্তারিত → |
| কুমিল্লা | ৬২,৪৩৫ | ৪২,৮৪৯ | ১৯,৫৮৬ | ৬৮.৬৩% | ১,৩৯১ | বিস্তারিত → |
| যশোর | ৮৫,৮৪১ | ৫৪,৯২৩ | ৩০,৯১৮ | ৬৩.৯৮% | ৩,৩৮৭ | বিস্তারিত → |
| বরিশাল | ৩৫,৭৯৯ | ২৫,৪৮৪ | ১০,৩১৫ | ৭১.১৯% | ১,৩২৩ | বিস্তারিত → |
| সিলেট | ৩০,৯০৭ | ২৩,৩৮৬ | ৭,৫২১ | ৭৫.৬৭% | ৮৮৯ | বিস্তারিত → |
| দিনাজপুর | ৭৩,৬৮০ | ৪৮,৭১৯ | ২৪,৯৬১ | ৬৬.১২% | ২,২৬৪ | বিস্তারিত → |
| মাদ্রাসা (আলিম) | ৭৬,০১৫ | ৬৮,২৪০ | ৭,৭৭৫ | ৮৯.৭৭% | ৪,২৯১ | বিস্তারিত → |
বোর্ড টেবিলে পৃথক analytics রিপোর্ট ও নিউজ কভারেজের সংখ্যা রাখা হয়েছে। তাই প্রাথমিক জাতীয় ঘোষণার সাথে কিছু মান সামান্য ভিন্ন হতে পারে।
গ্রেড বণ্টন (GPA ব্যান্ড) — 2011
নিচের টেবিলে প্রতিটা বোর্ডের পরীক্ষার্থীরা সামগ্রিক GPA ব্যান্ড অনুযায়ী কীভাবে ভাগ হয়েছে তা দেখানো হয়েছে — A+ (GPA 5.00) থেকে F (অকৃতকার্য) পর্যন্ত, প্রতিটা বোর্ডের Result Analytics রিপোর্টের "GPA Countdown" তথ্যের ভিত্তিতে। এই বোর্ড(গুলোতে) তথ্য পাওয়া যায়নি: ময়মনসিংহ, কারিগরি।
| বোর্ড | A+ (GPA 5.00) | A (GPA 4.00–4.99) | A-/B (GPA 3.00–3.99) | C (GPA 2.00–2.99) | D (GPA 1.00–1.99) | F (অকৃতকার্য) | বোর্ড পেজ |
|---|---|---|---|---|---|---|---|
| ঢাকা | ১৭,৮১৮ | ৪৬,০০১ | ৬০,২৮৬ | ৩১,৯৩৬ | ৪,০০৬ | ৪৮,০৬৫ | বিস্তারিত → |
| রাজশাহী | ৫,৫৯৫ | ১৭,৬০১ | ২৪,৩৮৬ | ১২,৩৫০ | ১,৪৫৪ | ১৬,৩৩৭ | বিস্তারিত → |
| চট্টগ্রাম | ১,৮০২ | ৭,৪৩৬ | ১২,৮১০ | ১০,০৬১ | ১,৮৩১ | ১৩,৮২৭ | বিস্তারিত → |
| কুমিল্লা | ১,৩৯১ | ৮,৩৪৯ | ১৮,২০০ | ১২,৫৮০ | ২,৩২৯ | ১৯,৫৮৬ | বিস্তারিত → |
| যশোর | ৩,৩৮৭ | ১৬,১১০ | ২৪,০৩২ | ১০,৩১৯ | ১,০৭৪ | ৩০,৯১৮ | বিস্তারিত → |
| বরিশাল | ১,৩২৩ | ৬,৪০৩ | ১০,৫৯১ | ৬,৩৭৮ | ৭৮৯ | ১০,৩১৫ | বিস্তারিত → |
| সিলেট | ৮৮৯ | ৩,৮৩০ | ১০,৪৫৫ | ৭,১৪৯ | ১,০৬৩ | ৭,৫২১ | বিস্তারিত → |
| দিনাজপুর | ২,২৬৪ | ৯,৮৬৬ | ১৯,৭৩২ | ১৪,৪৬৭ | ২,৩৯০ | ২৪,৯৬১ | বিস্তারিত → |
| মাদ্রাসা (আলিম) | ৪,২৯১ | ১৬,৯২২ | ২৮,২৯০ | ১৬,০৫৯ | ২,৫৩০ | ৭,৭৭৫ | বিস্তারিত → |
ব্যান্ডগুলো পাস করা শিক্ষার্থীদের বোর্ডের নিজস্ব সামগ্রিক-GPA ভাগ, সবচেয়ে কাছাকাছি letter grade-সহ দেখানো — এগুলো আলাদা বিষয়ের grade না। F মানে যারা পাস করেনি তাদের সংখ্যা। সংখ্যাগুলো সরাসরি প্রতিটা বোর্ডের নিজস্ব Result Analytics রিপোর্ট থেকে নেওয়া। এক বা একাধিক বোর্ডের ক্ষেত্রে সোর্স রিপোর্টে ছাপা পাঁচটি ব্যান্ডের যোগফল উপরের বোর্ড টেবিলের 'পাস' সংখ্যার চেয়ে সামান্য কম (সর্বোচ্চ ০.২২%-এর পার্থক্য)।
২০১১-এর বোর্ড পারফরম্যান্স হাইলাইটস
সাধারণ বোর্ডে সর্বোচ্চ পাসের হার
সংগৃহীত তথ্য অনুযায়ী সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ পাসের হার রেকর্ড করেছে রাজশাহী বোর্ড, ৭৮.৯৮%।
সামগ্রিকভাবে সর্বোচ্চ পাসের হার
সংগৃহীত তথ্য অনুযায়ী সব বোর্ডের মধ্যে সর্বোচ্চ পাসের হার রেকর্ড করেছে মাদ্রাসা (আলিম) বোর্ড, ৮৯.৭৭%।
সর্বোচ্চ GPA-৫ সংখ্যা
সংগৃহীত তথ্য অনুযায়ী সবচেয়ে বেশি GPA-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থী ছিল ঢাকা বোর্ডে — ১৭,৮১৮ জন।
বোর্ড Analytics থেকে যা বাড়তি জানা যায়
জাতীয় ফলাফল ঘোষণা সামগ্রিক চিত্র দেয়, আর পৃথক বোর্ড analytics আরও গভীর তুলনার সুযোগ দেয়। সংগৃহীত রিপোর্টে পরীক্ষার্থী ও পাসের সংখ্যা, লিঙ্গভিত্তিক তথ্য, GPA বণ্টন, GPA-৫ পরিসংখ্যান এবং বহু-বছরের ঐতিহাসিক টেবিল অন্তর্ভুক্ত থাকে।
বছরের বিস্তারিত
২০১১ সালের প্রতিটি বোর্ডের appeared, passed, not passed, পাসের হার ও GPA-৫ তথ্য বিস্তারিত চিত্র দেয়।
ঐতিহাসিক তথ্য
Analytics রিপোর্টে থাকা ঐতিহাসিক টেবিল সাইটের বোর্ড প্রোফাইল পেজগুলোকে সহায়তা করে।
গবেষণার মূল্য
বছরভিত্তিক ও বোর্ডভিত্তিক সামঞ্জস্যপূর্ণ আর্কাইভ ভবিষ্যতের তুলনা, বিশ্লেষণ ও শিক্ষা-গবেষণায় সহায়ক হতে পারে।
২০১১ সালে যেভাবে ফলাফল চেক করা হতো
মোবাইল থেকে SMS পাঠিয়ে HSC ও সমমান ফলাফল দেখা যেত — বহু বছর ধরে মূলত একই ফরম্যাট ব্যবহৃত হয়েছে।
বোর্ড কোড
এখন ২০১১-এর ফলাফল চেক করবেন যেভাবে
২০১১ সালের ব্যক্তিগত ফলাফলের জন্য অফিসিয়াল integrated result website-ই প্রধান সোর্স। সাধারণত সংশ্লিষ্ট পরীক্ষার বছর বেছে নিয়ে পুরনো ফলাফলও দেখা যায়।
- অফিসিয়াল Education Board result website-এ যান।
- HSC/Equivalent নির্বাচন করুন।
- ২০১১ নির্বাচন করুন।
- সংশ্লিষ্ট বোর্ড বেছে নিন।
- প্রয়োজনে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিন।
- CAPTCHA পূরণ করুন।
- ফলাফল দেখতে ফর্ম সাবমিট করুন।
২০১১-এর ফলাফলের তথ্য বোঝার উপায়
পাসের হার এবং GPA-৫ সংখ্যা পারফরম্যান্সের ভিন্ন দিক পরিমাপ করে। পাসের হার দেখায় কত শতাংশ পরীক্ষার্থী ন্যূনতম শর্ত পূরণ করেছে, আর GPA-৫ সংখ্যা দেখায় কতজন শিক্ষার্থী সর্বোচ্চ গ্রেড পয়েন্ট গড়ে পৌঁছেছে।
বোর্ড তুলনার জন্য শতাংশ ও পরম সংখ্যা — দুটোই কাজে লাগে। তাই এই আর্কাইভে যেখানেই তুলনীয় তথ্য পাওয়া গেছে, সেখানে উভয়ই রাখা হয়েছে।